শনিবার, ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াডাঙ্গীতে ভূয়া চিকিৎসককে ভ্রাম্যমান আদালতে অর্থ দন্ড

এসএম মশিউর রহমান সরকার, বালিয়াডাঙ্গী প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর লাহিড়ীতে সুবাস চন্দ্র সরকার (৪০) নামে এক ভূয়া ভেটেরিনারি পশু চিকিৎসককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ হাবালিয়াডাঙ্গীতে ভূয়া চিকিৎসককে ভ্রাম্যমান আদালতে অর্থ দন্ড

এজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
১৫ জুলাই বুধবার দুপুর আড়াইটায় বালিয়াডাঙ্গীর ঐতিহ্যবাহী লাহিড়ী বাজারে ওই ভূয়া চিকিৎসককে অর্থ জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল আলম সুমন।
জানা গেছে, উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের ভান্ডারদহ মরিচপাড়া গ্রামের গোরগবিন্দ সরকারের ছেলে সুবাস চন্দ্র সরকার ২০০৮ সাল থেকে নিজেকে পল্লী চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে এলাকায় গরু, ছাগলের (ভেটেরিনারী) চিকিৎসা করে আসছেন। পল্লী চিকিৎসকের কোন সনদ না থাকলেও তিনি ডাক্তার টাইটেল লাগিয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে লাহিড়ী ও ফুটানি বাজার এলাকায় চেম্বার বসিয়ে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ান।
১৫ জুলাই বুধবার দুপুরে লাহিড়ী বাজার থেকে সুবাস চন্দ্রের মোটরসাইকেলের পেছনে চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং ঔষুধের ব্যাগ দেখে তল্লাশি চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তার কাছ থেকে অত্যাধিক পাওয়ারের অনেক এন্টিবায়োটিক, ডাইক্লোফেনাক এবং কিটোপ্রোফেনসহ গরু মোটাতাজাকরণের ট্যাবলেট সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর ঔষুধ পাওয়া যায়।
এ সময় তিনি চিকিৎসকের সনদ দেখাতে না পারায় এবং এন্টিবায়োটিকসহ ও ক্ষতিকর ঔষুধ বহন করায় ঘটনাস্থলেই তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল আলম সুমন।
এ ব্যাপারে ভেটেরিনারি পশু চিকিৎসক ডা.সুবাস চন্দ্র সরকার জানান, আমার ৬ মাসের পল্লী ভেটেরিনারি পশু চিকিৎসকের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহনের সনদ আছে। তবে সেটি এই মুর্হুতে আমার সাথে নাই। সনদটি আমার ভান্ডারদহ মরিচপাড়া গ্রামের বাড়ীতে আছে। আর আমি লাহিড়ী বাজারে স্থায়ী ভাবে বসবাস করি।

এই বিভাগের আরো খবর