রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজিতে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৭০–২৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ২০০–২১০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজিতে, যা রোজার আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। খাসির মাংস অপরিবর্তিত রয়েছে-প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা।
মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। মাঝারি রুই ৩৫০–৪২০ টাকা, কাতলা ৩৮০–৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০–২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম আকারভেদে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। শিং ৫০০–৬০০, মাগুর ৫৫০–৬৫০ এবং চিংড়ি ৮০০–১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে কিছু সবজির দামে সামান্য স্বস্তি মিলেছে। কুমড়া ১৬–২০ টাকা, মুলা ১২–২০ টাকা এবং বরবটি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০ টাকায় নেমেছে। অন্যদিকে বেগুন ও শশা ৭০–১২০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৮০–১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের সমান।
রামপুরা কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, রোজা শুরু হতেই বাজার আরেক ধাপ ওপরে উঠে গেছে। সংসারের বাজেট ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। বনশ্রীর এক গৃহিণী জানান, আয় না বাড়লেও প্রতি সপ্তাহে খরচ বাড়ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, রমজানে ইফতার ও বিভিন্ন আয়োজনে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়তি। খামার ও পাইকারি পর্যায়েও মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ও বরফের খরচ বাড়ায় মাছের দামও কিছুটা বেশি পড়ছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে রমজানের মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় রয়েছেন ক্রেতারা।
