রংপুরের পীরগাছায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের পশ্চিমদেবু (মাঠেরপাড়) গ্রামে ঘটে।
এ ঘটনায় ওই গ্রামের আবু খায়ের, আবু কালাম, নুরুন্নবী, রুবেল, রায়হান, সুজন, মোবারক, নুরুল আমিন, আলমগীর, জাহাঙ্গীর, সবুজ, সুমন, নুর আলম ও শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে পীরগাছা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সুরুজ্জামাল।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের সুরুজ্জামাল ও নুরুজ্জামালের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
অভিযুক্তরা নালিশী জমি জবরদখলের পরিকল্পনা, দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টি এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দিতে থাকেন। এ অবস্থায় সুরুজ্জামাল ও নুরুজ্জামাল রংপুর জেলা পীরগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জমির মালিকানা ও অধিকার অক্ষুণ্ন রয়েছে মর্মে ঘোষণামূলক ডিক্রি চেয়ে মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
মামলার জের ধরে গত ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা, ইট, পাথর, লোহার রড এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র,ছোরা, বল্লম ও চাপাতি নিয়ে সুরুজ্জামালের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা শয়নকক্ষের বেড়া ও বাড়ির প্রবেশপথের টিনের বেড়া কেটে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগী সুরুজ্জামাল অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিপক্ষের ধাওয়ায় আমরা প্রাণের ভয়ে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিই। পরে তারা জোরপূর্বক বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
তবে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, “এজাহারটি এখনো আমার দেখা হয়নি। দেখার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”