প্রতীক বরাদ্দের সময় আফজাল হোসেনের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে হাতে উঁচু করে বক্তব্য দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন নাহিদুল ইসলাম সাজু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
মাইক হাতে নিয়ে নাহিদুল ইসলাম সাজু বলেন,
“গত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগ কীভাবে খুনি ও দোষীদের সহযোগিতা করেছে। যারা তাদের সহযোগিতা করেছে, তাদের যদি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, আমরা ডিসি অফিস ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি দেবো। জাতীয় পার্টি বা আওয়ামী লীগের দোসরদের প্রতীক বরাদ্দ দিলে রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হবে না। আমরা অবশ্যই প্রতিবাদ করবো।”
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার তার অভিযোগ গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশনা দেবে, আইন মেনে সেই অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী প্রতীক গ্রহণ করেন। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সভাকক্ষে কিছু সময়ের জন্য হৈচৈ সৃষ্টি হয়।
সংবাদ শেষে নাহিদুল ইসলাম সাজু সাংবাদিকদের বলেন, তারা লিখিত অভিযোগ জমা দেবেন এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা প্রতিহত করার কর্মসূচি নেবেন।
